ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস! দাবি করে যুদ্ধবিমানের জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষের ভিডিয়ো প্রকাশ করল ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। সঙ্গে দিল সতর্কবার্তাও। সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বুধবার জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের একটি যুদ্ধবিমানকে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপতিত করতে সফল হয়েছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, বিমানটি তখন তাদের উপর ‘শত্রুতাপূর্ণ অভিযান’ চালাচ্ছিল। তখনই তারা স্থানীয় ভাবে তৈরি ‘এয়ার-টু-এয়ার’ (আকাশ-থেকে-আকাশে নিক্ষেপযোগ্য) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানটিকে নিশানা করে। ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় আগুন ধরে যায় যুদ্ধবিমানটিতে। আছড়ে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।
হুথিদের প্রকাশিত একটি ভিডিয়োতে সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটিকে ভূপতিত হওয়ার দৃশ্য এবং মারিব প্রদেশে এর ধ্বংসাবশেষ দেখা গিয়েছে। চার মিনিটের ওই ভিডিয়োটি যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত একাধিক দৃশ্যের সঙ্কলন। শুরুতে বিমানটিকে নিশানা করার দৃশ্য এবং এর পর অন্ধকারে মাটিতে তীব্র আগুন এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ওঠার দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা সম্ভবত বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক পরের মুহূর্তের চিত্র। পরবর্তী দৃশ্যগুলিতে দিনের বেলার পাথুরে মরুভূমির ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধাতব ধ্বংসস্তূপ দেখা গিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোড়া কাঠামোর টুকরো এবং সৌদি বিমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বড় ও খাড়া ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ‘ভার্টিক্যাল স্টেবিলাইজার’ (লেজের দিকের স্থিতিশীলকারী অংশ)। ধ্বংসস্তূপের চারপাশে সামরিক সরঞ্জাম এবং সশস্ত্র ব্যক্তিদের দেখা গিয়েছে। তাঁদের কারও কারও হাতে রাইফেল রয়েছে। এক জন ধ্বংসাবশেষের দিকে ইঙ্গিত করছেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘এমএমওয়াই১৪৪৪’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সমাজমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘সৃষ্টিকর্তার সহায়তা এবং কৃপায় ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। মারিব প্রদেশের আকাশসীমায় সামরিক তৎপরতার সমর্থনে শত্রুতাপূর্ণ অভিযান চালানোর সময় বিমানটিকে ভূপতিত করা হয়।’’ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ৪৫০টি হামলার অভিযোগও এনেছেন ইয়াহিয়া।
বুধবার, ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ইসলামের পবিত্র শহর মক্কাকে নিশানা করার অভিযোগ তোলে। এই ঘটনায় মুসলিম বিশ্বে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অঞ্চল জুড়ে চলমান সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সমাজমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘রয়্যাল সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্সেস (সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী) সন্ত্রাসী হুথিদের উৎক্ষেপণ করা একটি শত্রু ড্রোনকে ‘মক্কা আল-মুকাররামা’র (মক্কার আরেকটি নাম) নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে।’’ অন্য দিকে, আল-মালিকি উল্লেখ করেছেন, মক্কাকে নিশানা করার এটি ছিল দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথি গোষ্ঠী।
হুথিদের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘সম্মানিত মক্কাকে নিশানা করার বিষয়ে অপরাধী আল-সৌদ শাসনব্যবস্থা যে সব ভুয়ো এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে, তা কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। কারণ তারাই এর পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ করছে। ইয়েমেনের তরফে পবিত্র স্থানগুলির প্রতি কোনও হুমকি নেই।’’
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বুধবার জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের একটি যুদ্ধবিমানকে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপতিত করতে সফল হয়েছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, বিমানটি তখন তাদের উপর ‘শত্রুতাপূর্ণ অভিযান’ চালাচ্ছিল। তখনই তারা স্থানীয় ভাবে তৈরি ‘এয়ার-টু-এয়ার’ (আকাশ-থেকে-আকাশে নিক্ষেপযোগ্য) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানটিকে নিশানা করে। ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় আগুন ধরে যায় যুদ্ধবিমানটিতে। আছড়ে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।
হুথিদের প্রকাশিত একটি ভিডিয়োতে সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটিকে ভূপতিত হওয়ার দৃশ্য এবং মারিব প্রদেশে এর ধ্বংসাবশেষ দেখা গিয়েছে। চার মিনিটের ওই ভিডিয়োটি যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত একাধিক দৃশ্যের সঙ্কলন। শুরুতে বিমানটিকে নিশানা করার দৃশ্য এবং এর পর অন্ধকারে মাটিতে তীব্র আগুন এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ওঠার দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা সম্ভবত বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঠিক পরের মুহূর্তের চিত্র। পরবর্তী দৃশ্যগুলিতে দিনের বেলার পাথুরে মরুভূমির ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধাতব ধ্বংসস্তূপ দেখা গিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোড়া কাঠামোর টুকরো এবং সৌদি বিমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বড় ও খাড়া ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ‘ভার্টিক্যাল স্টেবিলাইজার’ (লেজের দিকের স্থিতিশীলকারী অংশ)। ধ্বংসস্তূপের চারপাশে সামরিক সরঞ্জাম এবং সশস্ত্র ব্যক্তিদের দেখা গিয়েছে। তাঁদের কারও কারও হাতে রাইফেল রয়েছে। এক জন ধ্বংসাবশেষের দিকে ইঙ্গিত করছেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘এমএমওয়াই১৪৪৪’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সমাজমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘সৃষ্টিকর্তার সহায়তা এবং কৃপায় ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। মারিব প্রদেশের আকাশসীমায় সামরিক তৎপরতার সমর্থনে শত্রুতাপূর্ণ অভিযান চালানোর সময় বিমানটিকে ভূপতিত করা হয়।’’ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ৪৫০টি হামলার অভিযোগও এনেছেন ইয়াহিয়া।
বুধবার, ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ইসলামের পবিত্র শহর মক্কাকে নিশানা করার অভিযোগ তোলে। এই ঘটনায় মুসলিম বিশ্বে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অঞ্চল জুড়ে চলমান সংঘাত আরও ঘনীভূত হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সমাজমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘রয়্যাল সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্সেস (সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী) সন্ত্রাসী হুথিদের উৎক্ষেপণ করা একটি শত্রু ড্রোনকে ‘মক্কা আল-মুকাররামা’র (মক্কার আরেকটি নাম) নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে।’’ অন্য দিকে, আল-মালিকি উল্লেখ করেছেন, মক্কাকে নিশানা করার এটি ছিল দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথি গোষ্ঠী।
হুথিদের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘সম্মানিত মক্কাকে নিশানা করার বিষয়ে অপরাধী আল-সৌদ শাসনব্যবস্থা যে সব ভুয়ো এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে, তা কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। কারণ তারাই এর পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ করছে। ইয়েমেনের তরফে পবিত্র স্থানগুলির প্রতি কোনও হুমকি নেই।’’
আন্তজার্তিক ডেস্ক